মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

দর্শনীয় স্থান

 

 

০১

নীলাচল

বান্দরবান শহর থেকে ৫কি:মি: দূরে টাইগার পাড়া এলাকায় সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ২০০০ফুট উচ্চতায় পাহাড় চুড়ায় নীলাচল পর্যটন স্পট অবস্থিত। এ পর্যটন স্পটটি বান্দরবানের পর্যটন শিল্পে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। নীলাচল থেকে আকাশ ছোঁয়া না গেলেও মনে হবে আকাশ আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যাবার স্বপ্ন যদি কারো থাকে তাহলে স্বপ্ন পূরণ হবে ‘‘ নীলাচল’’ গেলে। বর্ষায় সেখানে চলে রোদ আর মেঘের লুকোচুরি খেলা। শীতল পরশ বুলিয়ে শুভ্র মেঘ মুছে দেবে আপনার জীবনের ক্লামিত্ম। নীলাচল থেকে  অনায়াসেই চোখে পড়বে বান্দরবান শহর। চার পাশে দেখাযাবে সারি সারি সবুজঘেরা পর্বতমালা। এখান থেকে ‘‘ চিম্বুক’’ পাহাড়ও দেখা যায়। আর রাতে দেখা যায়  ‘‘ বন্দর নগরী চট্টগ্রমের ’’ রহস্যময় আলো আঁধারির খেলা।  শহর থেকে পাহাড়ি সর্পিল আঁকাবাঁকা পথে এর দুরত্ব ৫ কিলোমিটার। নীলাচলের কোল ঘেঁষেই রয়েছে তঞ্চগ্যা, মারমা ও ত্রিপুরা উপজাতিদের বসবাস। বান্দরবান জেলা প্রশাসন কর্তৃক  ‘‘ নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র টি’’ পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসন পরিচালিত একটি সুন্দর রেস্ট হাউজ রয়েছে, যেখানে রাত্রিযাপন করা যায়। ২টি কক্ষে বিশিষ্ট রেস্ট হাউজটি বুকিং এর জন্য ০৩৬১-৬২৫০৬, ০১৭১৭২৭১৮০৫১ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নীলাচল/ এনডিসি এর সাথে যোগাযোগ করুন। পর্যটন স্পটে জনপ্রতি প্রবেশ মূল্য ২০/-টাকা।

০২

শুভ্রনীলা

বান্দরবান শহরের  খুব কাছেই সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ২০০০ ফুট উচুঁ পাহাড় চুড়ায় অবস্থিত নীলাচল পর্যটন স্পটের পাশেই  ‘‘শুভ্রনীলা’’ এ পর্যটন স্পটটিও বান্দরবানের পর্যটন শিল্পে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। ‘‘শুভ্রনীলা’’ থেকে আকাশ ছোঁয়া না গেলেও মনে হবে আকাশ হাতছানি দিয়ে ডাকছে। মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যাবার স্বপ্ন যদি কারো থাকে তাহলে স্বপ্ন পূরণ হবে ‘‘ নীলাচল’’ গেলে। বর্ষায় সেখানে চলে রোদ আর মেঘের লুকোচুরি খেলা। শীতল পরশ বুলিয়ে শুভ্র মেঘ মুছে দেবে জীবনের ক্লামিত্ম। ‘‘শুভ্রনীলা’’ থেকে  অনায়াসেই চোখে পড়বে বান্দরবান শহর। চার পাশে দেখাযাবে সারি সারি সবুজঘেরা পর্বতমালা। এখান থেকে ‘‘ চিম্বুক’’ পাহাড়ও দেখা যায়। আর রাতে দেখা যায়  ‘‘ বন্দর নগরী চট্টগ্রমের ’’ রহস্য আলো আঁধারির খেলা।  শহর থেকে পাহাড়ি সর্পিল আকাঁবাকাঁ পথে এর দুরত্ব ৫ কিলোমিটার। নীলাচলের কোল ঘেঁষেই রয়েছে তঞ্চগ্যা, মারমা ও ত্রিপুরা উপজাতিদের বসবাস। বান্দরবান জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত  শুভ্রনীলায় রয়েছে  রেস্টুরেন্ট।

যাতায়াত :  বান্দরবান শহর থেকে চান্দের গাড়ী, প্রাইভেট কার, বেবি টেক্সি যোগে শুভ্রনীলা যাওয়া আসা করা যায়। চান্দের গাড়ীতে যাওয়া-আসা ৮০০/-টাকা।

০৩

কানাপাড়া পাহাড়

বান্দরবান কেরাণীহাট সড়কের পাশে যৌথখামার এলাকায় অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত কানাপাড়াটি বম সম্প্রদায় অধ্যুষিত। এখান থেকে সুদূর চট্টগ্রামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নজরে পড়ে।

অবস্থান: বান্দরবান সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের আওতাভূক্ত

দূরত্ব: শহর থেকে ৬কি:মি:

চাঁন্দের গাড়ি, জীপ, বেবী টেক্সিতে কানাপাড়া যাওয়া যায়।


Share with :

Facebook Twitter